বিষয়সমুহ

 

 ইতিহাস 

   ইতিহাস ও ঐতিহ্য              মুক্তিযুদ্ধ     

  

শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি           গুণীজন

  

    জেলা প্রশাসন            স্থানীয় সরকার

 

 সরকারি দপ্তরসমূহ          শিক্ষা সংক্রান্ত

  

       কৃষি ও বন                 ভ্রমণ

  

 পরিবহন ও যোগাযোগ      অর্থ ও বানিজ্য

  

    সমাজ কল্যাণ              স্বাস্থ্য বিষয়ক

  

        গণ-মাধ্যম                 রাজনীতি 

               

                      অন্যান্য

খুলনা পিডিয়াঃ প্রস্তাবনা

খুলনা পিডিয়া। সর্বসাধারনের জন্য উন্মুক্ত খুলনার সামগ্রিক তথ্য ভান্ডার। ২৫ নভেম্বর ২০০৯ সালে এর মৌল কাঠামো নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। খুলনা পিডিয়া হালনাগাদ একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা বিশ্বাস করি সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় নিয়মিত ভাবে হালনাগাদের ফলে ধীরে ধীরে খুলনা পিডিয়া একটি স্বয়ংসম্পূর্ন তথ্য ভান্ডার হিসেবে গড়ে উঠবে।

 

এক নজরে খুলনা

আয়তন ৪৩৯৪.৪৬ বর্গ কিলোমিটার; সীমারেখা - উত্তরে যশোর ও নড়াইল জেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে বাগেরহাট জেলা এবং পশ্চিমে সাতক্ষীরা জেলা।বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ৩৫.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস; সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস; বার্ষিক বৃষ্টিপাত ১৭১০ মিলিমিটার।

বিস্তারিত

 

জেলা সৃষ্টির কথকতা  

ড. তরুণ কান্তি শিকদার

বিশ্বে প্রতিটি সমৃদ্ধ জনপদের একটি ঐতিহ্যবাহী অতীত রয়েছে। এ অঞ্চলের জনপদ হাজার বছরেরঐতিহ্যমন্ডিত এবং এর প্রাচীনতা সকলকে মুগ্ধ করার মত। দূর অতীতের সৃষ্ট গাঙ্গেয় ব-দ্বীপেরঅংশবিশেষ খুলনা জেলা। এর প্রাচীন নাম বুড়নদ্বীপ। মেগাস্থিনিসের বর্ণনা মতে এ অঞ্চলের নামগঙ্গারিডি। বৌদ্ধ ও হিন্দু যুগে বুড়ন দ্বীপের নাম হয় বক্দী বা বাগদী। পাল ও সেন রাজাগণের রাজত্বেরঅন্তর্ভুক্ত ছিল এ অঞ্চল।

সেন রাজত্বকালে ভৈরব নদ তীরে ব্রাহ্মণ ও কায়স্থগণ ভূমি প্রাপ্ত হয়ে বসতি স্থাপন করেন এবং এ অঞ্চলে সমৃদ্ধ গ্রাম গড়ে ওঠে। তুর্ক- আফগান আমলে এর নাম হয় খলিফাতাবাদ বা সাতগাঁ।১ বঙ্গে১২০৪ সনে মুসলিম বিজয়ের পর এ অঞ্চলে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। সম্ভবতঃ গৌড় সুলতানশামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ (১৩১০- ১৩২৫খ্রীঃ) প্রথম খুলনা দখল করেন এবং শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহেরসময়(১৩৪২- ১৩৫৮খ্রীঃ) খুলনায় মুসলিম বসতি শুরু ও বিস্তার লাভ করে। মোগল আমলে বাদশাআকবরের রাজস্ব মন্ত্রী টোডরমল এ অঞ্চলের রাজস্ব বিভাগের নাম দেন মুরাদখানা বা জিরাদখানা। ষোলশতকে এ অঞ্চল বারভূঁইয়া নেতা প্রতাপাদিত্য এবং পরে সীতারাম রাজার নিয়ন্ত্রণাধীনে ছিল। অতঃপরআঠার শতকে এ অঞ্চল বাংলাদেশের অপরাপর অঞ্চলগুলোর মতো বৃটিশ শাসনাধীনে চলে যায়।

বিস্তারিত

 

৭১ এর স্মৃতি কথা 

মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুল কাইয়ূম

বিংশ শতাব্দিতে বাঙালীর শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলার স্বাধীনতা। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙালী জাতির অহংকার ও গর্বের বিষয়। দীর্ঘ নয় মাস পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এদেশের বীর বাঙালী যুদ্ধ করে ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলো।

২৪ বছরের পাকিস্তানী দুঃশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষ আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছিলো। ১৯৪৭ সালে লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে ভারতবর্ষ ভাগ করে বৃটিশরা এদেশ ছেড়ে চলে যায়। জন্ম হয় ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি পৃথক রাষ্ট্রের। পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান দু’টি প্রদেশে বিভক্ত ছিলো। পূর্ব পাকিস্তানে বহু ধর্মের মানুষ বাস করলেও তাদের ভাষা ছিলো বাংলা।

বিস্তারিত

 

বিবর্তনের ধারায় খুলনার ইতিহাস-ঐতিহ্য

ড. শেখ গাউস মিয়া

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বিভাগ খুলনা। এ বিভাগের প্রধান জেলা খুলনা। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে বঙ্গোপসাগরের কূল জুড়ে এর অবস্থান। নদ-নদী বিধৌত, হযরত খানজাহান আলীর (রহঃ)-এর  পবিত্র পদচারণা-ধন্য, সুন্দরবনের অপরূপ শ্রীমন্ডিত এ জেলার আকার লম্বা আকৃতির, চৌকা ধরণের। এর উত্তরে অক্ষরেখা ২২০.৪৭ ও ২১০.৪০ এবং দ্রাঘিমা ৮১ ও ১০ । জেলার বাৎসরিক উষ্ণতা সর্বনিম্ন ১৫ ফারেনহাইট এবং সর্বোচ্চ উষ্ণতা ৪১ ফারেনহাইট। এখানকার আবহাওয়া আর্দ্র, শীত এবং গ্রীষ্মের তাপমাত্রার তারতম্য কম। বৃষ্টিপাত বেশি, দক্ষিণাঞ্চলে সুন্দরবনের অবস্থানের কারণে মৌসুমী জলীয় বাষ্প উভয় মৌসুমেই প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। আমরা এ জেলার অধিবাসী। তা আমাদের সত্তার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

কোন স্থানের ইতিহার ঐতিহ্য- অনুধাবনের ক্ষেত্রে নামকরণ তাৎপর্য নির্ণয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খুলনাও তার ব্যতিক্রম নয়। বিখ্যাত ঐতিহাসিক ড. সুকুমার সেনের মতে খুলনা এসেছে “খুল্লনা” শব্দ থেকে যার অর্থ ক্ষুদ্র নৌকা ভাসে এমন স্থান। এক্ষেত্রে অনেক কিংবদন্তিও প্রচলিত আছে। এর একটা কিংবদন্তি হল খুলনা নামের উৎস খুল্লনেশ্বরী  দেবী  যিনি ধনপতি সওদাগরের স্ত্রী খুল্লনার স্মৃতিরক্ষার্থে ভৈরব নদ তীরের মন্দিরে ‌সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন। কেউ কেউ বলেছেন, মুসলিম আমলের প্রথমদিকে আরব বণিকেরা এখানে প্রবেশ করে বলতো “আদ খোলনা”।

বিস্তারিত

 

সুন্দরবন কর্নার

সুন্দরবনের ইতিকথা

সুন্দরবন সমুদ্র উপকূলবর্তী  নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হিসেবে অখন্ড বন যা বিশ্বে সর্ববৃহৎ। অববাহিকার সীমানা  এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত।১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা  বনের   প্রায় ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে।সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এর বাংলাদেশ ও ভারতীয় অংশ একই নিরবচ্ছিন্ন ভূমিরূপের অংশ হলেও ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের সূচিতে ভিন্ন ভিন্ন নামে সূচিবদ্ধ হয়েছে যথাক্রমে সুন্দরবন ও সুন্দরবন জাতীয় পার্ক নামে। সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ছোট ছোট দ্বীপ । বনভূমিটি, স্বনামে বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও নানান ধরণের পাখি, চিত্রা হরিণ, কুমির ও সাপ সহ অসংখ্য প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। জরিপ মোতাবেক ৫০০ বাঘ ও ৩০,০০০ চিত্রা হরিণ রয়েছে এখন সুন্দরবন এলাকায়। ১৯৯২ সালের ২১শে মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

সুন্দরবনকে আরো বেশি জানতে ক্লিক করুন

ফেইসবুকে খুলনাপিডিয়া

   

গণমাধ্যমে খুলনা পিডিয়া

Call for setting up IT village in Khulna

ডিজিটাল খুলনা উৎসব আজ

আজকের আবহাওয়া

খুলনা ডিরেক্টরি

খুলনার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের,যোগাযোগের ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল ঠিকানার ডাটা বেইজ সংরক্ষণ করা হবে ।

মানচিত্রে খুলনা

উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা

দেশের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সংক্রান্ত তথ্য,বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য গবেষণা সংস্থারগবেষণাপত্র এই বিভাগে পাওয়া যাবে।